Bangal Press
ঢাকাThursday , 23 November 2023
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বিনোদন
  11. ভ্রমণ
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা জগৎ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টানাহেঁচড়া ও ছবি তোলা, রিপ্রেজেন্টেটিভদের জন্য অতীষ্ঠ রোগীরা

ডেস্ক রিপোর্ট
November 23, 2023 2:15 pm
Link Copied!

নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীদের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের টানাহেঁচড়া ও ছবি তোলা, হুড়োস্থুল কারবার। রোগীরা তাদের আচরণে চরম ভাবে অতীষ্ঠ।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়ায়, এটা যেন নিয়মে পরিণত হয়ে গেছে। অনেক সময় রোগীদের আত্বীয় স্বজন বা রোগীরা প্রতিবাদ করলে তাদেরকে সংশ্লিষ্ঠ ডাক্তারের প্রতিনিধি বা বেসরকারী হাসপাতালের মালিকদের কাছে অপদস্থ হতে হয়। অনেক দিন ধরেই বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে— উপঢৌকন নিয়ে রোগীর ব্যবস্থাপত্রে নিম্নমানের ওষুধের নাম লিখেন চিকিৎসকরা। তবে এবার হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। 
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়— হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা কয়েকজন লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। লাইনে দাড়ানো আব্দুস ছোবহান বলেন, লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় তাদের সমস্যার কথা শুনেন ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা। রোগীরা যখন চিকিৎসকের কক্ষে প্রবেশ করেন, তখন রোগীর সাথে ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিরাও প্রবেশ করেন। এ সময় তাদের কোম্পানীর (ওই রোগের) ওষুধটি লেখার জন্য চিকিৎসককে পরামর্শ দেন। এভাবেই দিনভর ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের দখলে থাকে হাসপাতাল। এ প্রতিনিধি প্রায় ১ ঘন্টা হাসপাতাল প্রাঙ্গনে অবস্থানকালে অন্তত ৩০ জন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধির অপতৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। ওষুধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের দৌরাত্ম্যে প্রতিনিয়ত নানা হয়রানি ও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন রোগীরা।
 
নবীগঞ্জ টিএইচও ডাঃ আব্দুস সামাদ বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতি শনি ও মঙ্গলবার দুপুর ১ টা থেকে দুপুর ২ পর্যন্ত ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রবেশে অনুমতি রয়েছে। এর বাহিরে অন্যান্য দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছেন না কেউ। রোগীরা বের হলেই ব্যবস্থাপত্র নিয়ে চলে টানাহেঁচড়া। এতে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছেন তারা। 
প্রতিনিয়তই দেখা যায়, চিকিৎসকের কক্ষের সামনে ও ভেতরে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের ভিড় লেগেই আছে। রোগীরা বের হলেই রোগীদের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে টানাহেঁচড়া করেন। ছবি তোলেন, দেখেন তাদের কোম্পানির ওষুধ লেখা হয়েছে কি না। আবার কেউ কেউ রোগীদেরকে অপেক্ষায় রেখেই তাদের ভিজিট সেরে নিচ্ছেন। 
চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রুবেনা বেগম, বিলকিছ আক্তারসহ কয়েকজন বলেন, এই হাসপাতালের চিকিৎসকদের দরবারে যেন সব রিপ্রেজেন্টেটিভদের মেলা। আমরা অসুস্থ শরীর নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসলে অন্তত ২০/২৫ জন দৌড়ে এসে ধরেন। প্রেসক্রিপশন নিয়ে টানাটানি করেন। অনেকেই ছবি তোলেন। তাদের যন্ত্রনায় আরো অসুস্থ হয়ে পড়ি। চিকিৎসকরাই তাদেরকে সুযোগ দিচ্ছেন। অবাক করা বিষয় রিপ্রেজেন্টেটিভরা চিকিৎকদের শিখিয়ে দেন কোন ওষুধ লিখবে। এতেই বুঝা যায় কার স্বার্থে চিকিৎসক!
রবিউল আহমেদ নামে এক রোগী আক্ষেপ করে বলেন, চিকিৎসক তুমি কার— রোগীর না ওষুধ কোম্পানির ? চিকিৎসকরা কি রোগীদের জন্য না কি তারা ওষুধ কোম্পানির জন্য? প্রশ্ন রয়েই গেল’। (চিকিৎসক তুমি কার? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমাদের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।)
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুস সামাদ বলেন, সপ্তাহে দুদিন ভিজিটে আসতে পারবেন তারা সেটিও নির্ধারিত সময়ে। হাসপাতাল চলাকালীন তাদের ভেতরে প্রবেশের নিয়ম নেই। প্রতি শনি ও মঙ্গলবার দুপুর ১ টার পর ওষুধ কোম্পানীর লোক হাসাপতালে প্রবেশ করতে পারবে বলেও জানান ডাক্তার আব্দুস সামাদ।
 
 



শাকিল/সাএ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।