Bangal Press
ঢাকাFriday , 24 November 2023
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বিনোদন
  11. ভ্রমণ
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা জগৎ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঈশ্বরগঞ্জে ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া হয় না খারিজ

ডেস্ক রিপোর্ট
November 24, 2023 5:12 am
Link Copied!

একটি নামজারি খারিজের সরকারি ফি ১ হাজার ১০০ টাকা। কিন্তু ওই খারিজ সম্পন্ন করতে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা(নায়েব)কে ঘুষ দিতে হয় ৮ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকারও বেশি। তবে ঘুষের টাকা নায়েব নিজের হাতে না নিয়ে নেন তাঁর অফিস সহায়কের হাতে। এমন একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) মো.সানোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে, নামজারীর জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।এ নিয়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়।ঈশ্বরগঞ্জের একটি ভূমি অফিসে খারিজের জন্য টাকা লেনদেনের সেই ভিডিও গত বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
যাতে অফিস সহায়কের পাশে একজনকে টাকা গুনতে দেখা যায়। ওই টাকা ঘুষ হিসাবে লেনদেন হচ্ছে এমন অভিযোগ আমলে নিয়েছে প্রশাসন। এর মধ্যে ঘুষ নেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের কথা তুলে ধরে ইউনিয়ন ভুমি সহকারি কর্মকর্তার অপসারণের দাবী জানিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর গণস্বাক্ষরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। স্থানীয় এলাকাবাসী ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জমি খারিজ করতে রাজিবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব মো.সানোয়ার হোসেন সেবাগ্রহীতাদের সাথে সরাসরি কোন কথা না বলে নিজস্ব অফিস সহকারী ও দালালদের মাধ্যমে কথা বলে অতিরিক্ত টাকা নেন। খারিজ করতে নায়েবকে দিতে হয় ৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এর পরও যথাসময়ে খারিজ পাননা এলাকাবাসী। যথা সময়ে খারিজ করতে না পারায় জমি সংক্রান্ত জটিলতায় পড়ছে ওই অঞ্চলের মানুষ। বিষয়টি প্রতিকার পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগীরা। 
অভিযোগে আরো জানা যায়, নায়েব সানোয়ার হোসেনের সাথে কথা বলা ছাড়া  কেউ অনলাইনে জমা খারিজ ও খাজনা দেওয়ার আবেদন করলে তিনি সেবাগ্রহীতাদের আবেদন বাতিল করে দেন। আর যোগাযোগ করে খাজনা দিতে গেলে অনলাইন রিসিটের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেন। এবিষয়ে কেউ কিছু বললে স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে হুমকি প্রদান করেন। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় ভোক্তভুগি একজনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, গত দুইমাস পূর্বে তার চাচাকে নিয়ে ভূমি অফিসে যান খারিজ করার জন্য। পরে নায়েব হিরন নামের এক দালালের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। হিরনের সাথে যোগাযোগ করলে তাকে চিনতে পেরে হিরন অফিস সহকারি আহাম্মদের সাথে কথা বলতে বলেন। পরে আহাম্মদের সাথে যোগাযোগ করলে আহাম্মদ নায়েবের সাথে কথা বলে জানান, নামজারি খারিজ করতে ২০হাজার টাকা লাগবে। পরে ভোক্তভুগি প্রথমে ১৫হাজার টাকা দিয়ে খারিজের আবেদন করতে বলে পরে আরো তিন হাজার টাকা দেন। তিনি আরো বলেন নায়েবের বাড়ি কাচারি অফিসের পাশাপাশি হওয়ায় তিনি এমন প্রভাব দেখান। নায়েবের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলতে পারেন না।
টাকা নেওয়ার প্রসঙ্গে বক্তব্য নেওয়ার জন্য অফিস সহায়ক আহাম্মদ এর  সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে রাজিবপুর ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) মো.সানোয়ার হোসেন এর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে ও খুদে বার্তায় যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগকারীকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে এবং বিপক্ষের শোনানি ২৭ তারিখে হবে বলে  জানান এই কর্মকর্তা।
 



শাকিল/সাএ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।