Bangal Press
ঢাকাTuesday , 5 December 2023
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বিনোদন
  11. ভ্রমণ
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা জগৎ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইউপি সদস্যদের অনাস্থায় পদচ্যুত হতে পারেন ফুলগাজীর চেয়ারম্যান সেলিম

Link Copied!

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার ১নং ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন পরিষদে মোঃ সেলিম চেয়ারম্যান হিসেবে গত ২০২১ সালে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়। নির্বাচিত হবার পর থেকে স্বেচ্ছাচারীভাবে ইউনিয়নের কার্যক্রম পরিচালনা করছে চেয়ারম্যান সেলিম। নানান অনিয়মের অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে তিনি একাধিক সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন এ চেয়ারম্যান। তিনি এতটাই লাগামহীন যে নির্বাচিত ইউপি সদস্যরাও তার কাছে অসহায়। 
ইউপি সদস্যদের দাবি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সম্পাদকদের সাথে টাকার বিনিময়ে আতাতকরে তাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে নেতাদের সাথে সুসম্পর্ক করে সকল প্রকার অনিয়ম কর্মকান্ড চালিয়ে জনগণকে নানাভাবে হয়রানি ও প্রতারিত করছে।  ইউপি সদস্যদের মতামতকে মূল্যায়ন ও মিটিং না করে সকল গুরুত্বপূর্ন কাজের সিদ্ধান্ত তিনি একাই গ্রহণ করেন। এছাড়াও  সরকারের প্রদত্ত সকল প্রকার ভাতা প্রকৃত ভাতাভোগিদের না দিয়ে চেয়ারম্যান নিজের ইচ্ছামত তার পছন্দনীয় লোকদের প্রদান করেন। এমন নানান অভিযোগ এনে ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন পরিষদের ১ থেকে ৮ নং ইউপি সদস্য এবং ৯ থেকে ১০ নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যরা গত ২৮/১১/২০২৩ ইং তারিখে স্থানীয় সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর সকল ইউপি সদস্যেরা তাদের স্বাক্ষরিত একটি অনাস্থা পত্র প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেন, ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ইউনিয়ন পরিষদ আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স্হানীয় ইউপি সদস্যদের কথা বলে আরো জানা যায়, তারা জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়েও জনগনকে কোন সেবা দিতে পারছেনা শুধুমাত্র চেয়ারম্যান সেলিমের স্বেচ্ছারিতার কারণে।  ইউপি সদস্যরা স্ব-স্ব ওয়ার্ডে প্রকৃত প্রতিবন্ধি, বিধবা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্কদের ভাতা দেওয়ার জন্য সুপারিশ করলেও চেয়ারম্যান তাদের মতামতকে উপেক্ষা করে নিজের পছন্দমত ব্যাক্তিদের নাম ঢুকান। 
চেয়ারম্যান মাতৃত্বকালীন ভাতার তালিকায় নাম দেওয়ার সময় জনপ্রতি ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা এবং তালিকার অনুমোদন আসলে ভাতা ভোগীদের থেকে অতিরিক্ত আরো ২,০০০/(দুই হাজার) টাকাসহ সর্বমোট ৭ হাজার টাকা করে নিয়ছেন। গভীর নলকূপ এর তালিকা দেওয়ার সময় কল প্রতি গ্রাহকদের কাছ থেকে (পঁচিশ হাজার থেকে ত্রিশ হাজার) টাকা করে নেয়। এছাড়াও  ফুলগাজী রেল ষ্টেশনের ফেনী বিলোনিয়া সড়কের পূর্ব পার্শ্বে বনিক পাড়া রাস্তার উপর পুরাতন কালভার্ট দেখিয়ে নতুন বিল পাশ করে সরকারী টাকা আত্মসাৎ করেন। কোন প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্ধ হয়েছে তিনি আমাদেরকে কোনরূপ হিসাব নিকাশ প্রদান করেনা। ইউনিয়নের উন্নয়ন মূলক কাজ আমাদের দিয়ে না করিয়ে কমিশন নিয়ে তার পছন্দমত ব্যক্তিদের দিয়ে করান।  ইউনিয়ন পরিষদের যাবতীয় আয় কুক্ষিগত করে ইউনিয়নের একাউন্ট শূন্য করে আমাদের সদস্যদের ১৭ মাসের বেতন ভাতা বকেয়া রাখেন। বেতন-ভাতার কথা বললে আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার ও তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেন।  
তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ লোক হওয়ায় দলীয় প্রভাবের কারণে আমরা তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পাইনা। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হিসেবে যদি আমাদের মতামতের কোন মূল্যায়ন না করা হয়। তবে এই পদে আমাদের থাকার থেকে না থাকাই উত্তম। তাই আমরা সকলেই এই চেয়ারম্যানের অপসারণে অনাস্থা দিয়েছি। আশা করছি স্হানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবিষটি আমলে নিয়ে যথাযথ ব্যবস্হা গ্রহন করবে।
এবিষয়ে ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম জানান, একটা পক্ষ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে, এটা তারই নীল নকশা। মেম্বাররা জন্ম নিবন্ধন বাণিজ্যসহ আরো অন্যান্য যে সকল অভিযোগ করেছে তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন।



শাকিল/সাএ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।