Bangal Press
ঢাকাSaturday , 3 February 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বিনোদন
  11. ভ্রমণ
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা জগৎ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নির্ধারিত মূল্য মানছে না বিক্রেতারা; বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ

Link Copied!

সপ্তাহের ব্যবধানে চুয়াডাঙ্গার বাজারে বেড়েছে মাছ-মাংস ও পেঁয়াজের দাম। তবে স্বস্তি ফিরেছে কাঁচা সবজির বাজারে। আর অন্যান্য নিত্যপন্যের দাম প্রতিনিয়ত ওঠানামা করছে। রমজান আসার আগেই রোজার পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। মাংসের দাম নির্ধারন করে দেয়া হলেও তা মানা হচ্ছে না। আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু ও খাসির মাংস। এদিকে আবার হঠাৎ করে দাম বেড়েছে পেঁয়াজের বাজারে। গতকাল শুক্রবার চুয়াডাঙ্গা নিচের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জানা গেছে, গত ২১ জানুয়ারি চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকনের সভাপতিত্বে মাংস ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় মাংসের দাম নির্ধারণ করে দেয় পৌরসভা। সভায় সিদ্ধান্ত হয় প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি করা যাবে ৬২০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে। কিন্তু গতকাল শুক্রবার বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৭০০ টাকা কেজি দরে। একইভাবে খাসির মাংস দাম নির্ধারণ করে দেয়া হয় ৯০০ টাকা প্রতি কেজি দরে। নিয়ম অমান্য করে বাজারে খাসির মাংস বিক্রি করা হচ্ছে ১ হাজার টাকা কেজি দরে। দাম বিক্রি করা নিয়ে মাংস বিক্রেতাদের রয়েছে নানান যুক্তি। একই সাথে দাম বেড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের চাহিদার আমিষ ব্রয়লার মুরগির। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকা কেজিতে। তবে কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে সোনালি মুরগির বাজারে। দাম বেড়েছে প্যারিস মুরগির। কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ টাকা কেজি দরে প্যারিস মুরগির মাংস। তবে এখনো স্বস্তি ফেরেনি মাছের বাজারে। প্রতি কেজি সব ধরনের মাছ কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। ফলে মাছ মাংসের বাজারে ক্রেতা সাধারণ হতাশ হয়ে পড়েছেন। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা পড়েছেন চরম বিপাকে।

এদিকে বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার মেঘলা আকাশ আর গুড়িগুড়ি বৃষ্টির কারণে বাজারের পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ায় কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে পাইকারি পর্যায়ে বিক্রি করা হচ্ছে ৭৫ টাকা আর খুচরা পর্যায়ে তা ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে। তবে স্বস্তির হাওয়া ফিরেছে কাচা মরিচ, রসুন ও অন্যান্য সব ধরনের কাচা সবজির বাজারে। রোমজান মাসকে সামনে রেখে ছোলাসহ সব ধরনের ডালের দাম কেজিতে ৩০ টাকা বেড়েছে। আর সয়াবিন তেল আগের দাম অনুযায়ি লিটার প্রতি ১৭২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। রমজান মাস যত নিকটে আসবে ততই নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাবে বলে জানান ব্যাবসায়িরা। আর অন্যান্য মশলার দামও কম বেশি ওঠানামা করছে প্রতিনিয়ত।  
বাজারে আসা এক ক্রেতা বাপ্পি হোসেন বলেন, ‘১ হাজার টাকা কেজিতে খাসির মাংস কিনতে হলো। কিন্তু জানি ৯শ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা। সে নির্দেশনা কোন বিক্রেতা মানছে না। ফলে বাধ্য হয়েই চড়ামূল্যে মাংস কিনতে হচ্ছে।’
আরেক ক্রেতা আব্দুস সালাম বলেন, ‘রমজান মাস আসার আগেই বাজারে তেল ডাল মাছ মাংসের দাম বেশি। প্রতি সপ্তাহে এই অস্বাভাবিক জিনিসের দাম বাড়তেই থাকে। আয়ের সাথে ব্যয় মেলাতে পারছি না। রোজার আগেই বাজার নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আরও লাগামহীন হয়ে পড়বে।
এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা জেলা মার্কেটিং অফিসার সহিদুল ইসলাম বলেন, মাংসের দাম নির্ধারণ করে দেয়ার পরও যদি দাম বেশি নেয় তাহলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিভিন্ন ডালের দাম একটু বেশি। তবে দাম কম সবজির। সবমিলিয়ে বাজারে দাম ওঠানামা করছে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং করার জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে। সামনে রমজান মাসে বাজার যাতে স্বাভাবিক থাকে সেজন্য বাজার মনিটরিং বাড়ানো হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।