Bangal Press
ঢাকাWednesday , 15 May 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বিনোদন
  11. ভ্রমণ
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা জগৎ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রোগীর স্বজন সেজে মামলার আসামি গ্রেপ্তার করল পুলিশ

Link Copied!

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় রোগীর স্বজন সেজে আসামি গ্রেপ্তার করল পুলিশ। বুধবার (১৫ মে) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক জয়ন্ত মজুমদার।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১ এপ্রিল চন্দ্রিকা চক্রবর্তীর (২১) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার পুলিশ। ঐ ঘটনায় চন্দ্রিকার বাবা মা ফরিদপুরের বিজ্ঞ আদালতে মামলার আবেদন করেন। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে ভাঙ্গা থানা একটি মামলা রুজু করে মাঠে নামে ভাঙ্গা থানা পুলিশ।
পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পায় ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক জয়ন্ত মজুমদার। তিনি মামলার প্রধান আসামি দীপঙ্কর চক্রবর্তী কে গ্রেপ্তার করতে অভিযান পরিচালানো করেন। দীপঙ্কর চক্রবর্তী সদরপুরে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে মেডিকেল প্রমোশন অফিসার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার (১৫ মে) ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক জয়ন্ত মজুমদার রোগীর স্বজন সেজে আসামীর কর্মরত সদরপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে যায়। পরবর্তীতে তিনি নাম পরিচয় গোপন রেখে দীপঙ্কর চক্রবর্তী রেফারেন্সে হাসপাতালে তার স্ত্রীর চিকিৎসার কথা বলে। এর পরে সারাদিন দীপঙ্কর চক্রবর্তী কে ধরতে অপেক্ষার পর রাত ৮ সময় সদরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেন।
এই ঘটনায় স্বজনদের দাবি যৌতুকের দাবি আর চন্দ্রিকা চক্রবর্তীর (২১) স্বামী দীপঙ্করের বোন জামাইয়ের কু নজর ছিল চন্দ্রিকার উপর। এর ফলে বিভিন্ন সময় চালাতো নির্যাতন। এরা পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক করছে।
প্রসঙ্গত ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ আকনবাড়িয়া গ্রামের দীপঙ্কর চক্রবর্তীর সাথে মাগুরার শত্রুজিৎপুর এলাকার চন্ডি ঠাকুরের মেয়ে চন্দ্রিকা চক্রবর্তী (২১) বিবাহ হয়।
এই বিষয়ের ভাঙ্গ থানার উপ-পরিদর্শক জয়ন্ত মজুমদার জানান, বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ চন্দ্রিকা চক্রবর্তী নিহতের ঘটনায় একটা মামলা রুজু করে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ দেন। এরপর এই মামলার ১ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করতে আমরা প্রচেষ্টা শুরু করি। আমরা জানতে পারি দীপঙ্কর কৌশলে সদরপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে মেডিকেল প্রমোশন অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। আমি নাম পরিচয় গোপন করে রোগীর স্বজন সেজে ঐ হাসপাতালে যাই। এরপরে আমরা দীপঙ্করের রেফারেন্স দিয়ে হাসপাতালের পাশে অবস্থান করি। এরপরে আমরা রাত ৮টার সময় এই মামলার ১ নম্বর আসামীর দীপঙ্কর চক্রবর্তী কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।
 



শাকিল/সাএ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।