Bangal Press
ঢাকাWednesday , 15 May 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বিনোদন
  11. ভ্রমণ
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা জগৎ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ফান্ডিং: দারাজ চেয়ারম্যান

Link Copied!

সৈয়দ মোস্তাহিদল হক, ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির একজন সফল ব্যাক্তিত্ব। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বোকারেস ইউনিভার্সিটি থেকে গ্রাজুয়েশন শেষে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ২০০৮ সালে ক্যারিয়ার শুরু করেন যুক্তরাজ্যের স্পটস ডিরেকটর ডটকমে। ২০১১ সালে বাংলাদেশে ফিরে যোগদান করেন হোদা ভাসি অ্যান্ড কো. এ অডিট অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল কনসালটেড হিসেবে। এরপর ২০১৪ সালে দারাজ বাংলাদেশের সিএফও হিসেবে যোগদান করেন। বর্তমানে দারাজ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও এসিসিএ-এর সদস্য তিনি।
দীর্ঘদিন ধরেই ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সৈয়দ মোস্তাহিদল হক। স্থানীয় ও গ্লোবাল মার্কেট সম্পর্কে বেশ অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই দেশের ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান-ভবিষ্যৎ এবং আগামীর সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন বিডি২৪লাইভ-এর সঙ্গে। সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-
বিডি২৪লাইভ: বাংলাদেশের ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে একজন উদ্যেক্তা কি ধরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে?
সৈয়দ মোস্তাহিদল হক: ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ফান্ডিং। একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য ফান্ডিং প্রয়োজন হয়। যেই ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থা করাটাই একজন উদ্যেক্তার প্রথম চ্যালেঞ্জ। এছাড়াও ‘এক্সপার্ট রিসোর্স’ আরও একটি চ্যালেঞ্জ। একটি প্রতিষ্ঠান শুরুর ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ কারো দিকনির্দেশনার অভাব উদ্যেক্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।
বিডি২৪লাইভ: ই-কমার্সের প্রতি মানুষের আগ্রহ কতটুকু বেড়েছে বলে আপনি মনে করেন?
সৈয়দ মোস্তাহিদল হক: অনেকটাই বেড়েছে। তবে যেখানে যাওয়া উচিত ছিল সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। বলতে পারি, কাঙ্খিত জায়গায় পৌঁছাতে পারেনি। এখন কাস্টমার বাড়ছে, বিক্রি বাড়ছে। তবে এটা আরও বাড়া উচিত ছিল। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের শতকার ১ শতাংশ মানুষ বর্তমানে ই-কমার্স থেকে কেনাকাটা করছে। আমি যদি ভারতের কথা বলি, সেখানেও অন্তত ৫ শতাংশ মানুষ ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। সেখানে আমাদের সংখ্যাটা তুলনামূলক কম। তবে আমি আশা করি, আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যে বাংলাদেশেও ৫ শতাংশ মানুষ ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে কন্ট্রিবিউট করবে। আমরা সেদিকটা নিয়েই কাজ করছি। 
বিডি২৪লাইভ: গ্রাহকদের সেবা নিশ্চিতের জন্য দেশিয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর কী ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত?
সৈয়দ মোস্তাহিদল হক: কনসুম্যরদের একটাই চাহিদা; ভালো প্রোডাক্ট ও দ্রুত সময়ে ডেলিভারি। সেটা যদি মার্কেটপ্রাইস থেকে কম দামে হয় তাহলে আরও ভালো। কেনার আগ্রহ বেশি থাকে ক্রেতাদের। ওইদিক থেকে চিন্তা করে প্রোডাক্ট কোয়ালিটির দিকে নজর দেওয়া উচিত। নতুন উদ্যেক্তাদের উচিত, নিজস্ব কোনো পণ্য নিয়ে বেশি বেশি কাজ করা। যেন বিজনেস ভলিউম আস্তে আস্তে বাড়ে এবং একটা ট্র্যাক রেকর্ড তৈরি হয়। 

বিডি২৪লাইভ: বাংলাদেশে ই-কমার্সের সম্ভাবনা কতটুকু দেখছেন?
সৈয়দ মোস্তাহিদল হক: প্রতিটা দেশের মতোই বাংলাদেশে ই-কমার্সের সম্ভাবনা অনেক। কারণ ডিজিটাল যুগে আমরা পা রাখছি। তবে আমাদের চ্যালেঞ্জও আছে। এর মধ্যে অন্যতম একটা হচ্ছে, আমাদের দেশটা ছোট। যে কারণে প্রোডাক্ট ডিস্ট্রিউবিশন চ্যালেঞ্জিং না। কনজ্যুমারস তখনই প্রোডাক্ট কিনবে। যখন আপনি তাদের বিশ্বাস অর্জন করতে পারবেন। তবে আমি মনে করি ইন্ডাস্ট্রি বড় করতে হলে দারাজের মতো আরও বড় দুইটি প্রতিষ্ঠান লাগবে। ইনভেস্টর লাগবে। যারা অন্তত দুইটি কোম্পানিতে ইনভেস্ট করবে। তাহলেই দেশের ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির কাঙ্খিত সাফল্য মিলবে।
বিডি২৪লাইভ: ই-কমার্স নিয়ে সরকারের পলিসি কেমন হওয়া উচিত?
সৈয়দ মোস্তাহিদল হক: বাংলাদেশে ই-কমার্স নিয়ে বেশ কিছু পলিসিই কাজ করছে। তবে আমি মনে করি, গ্রাহকের আস্থা তৈরি করার জন্য সরকারেরও বিভিন্ন পদক্ষেপ ও সাপোর্ট প্রয়োজন। কারণ সরকার থেকে পজেটিভ বার্তা পেলে, মানুষেরও ই-কমার্সের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হবে।
বিডি২৪লাইভ: চলতি বাজেটে আপনার কেমন প্রত্যাশা থাকবে?
সৈয়দ মোস্তাহিদল হক: আমরা যেহেতু এখনও ছোট ইন্ডাস্ট্রি, সেহেতু ট্যাক্সের বিষয়ে যদি কিছু অ্যাডভান্টেজ বা সুবিধা দেওয়া যায় তাহলে ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির জন্য খুব ভালো হয়। 
বিডি২৪লাইভ: ই-কমার্স ব্যবসায় ঝুঁকি কতটা?
সৈয়দ মোস্তাহিদল হক: এই ব্যবসায় ফান্ডিংটা বড় ঝুঁকি। যেই মডেল নিয়েই কাজ করেন আপনার একটা ইনভেস্টমেন্ট লাগবে। সেই সিউরিটিটা পেলেই যেন নামা হয়। আমি দেখেছি- অনেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান এসেছে, তাদের আইডিয়া ভালো ছিল। কিন্তু ফান্ড ক্রাইসিসের কারণে একটা সময় সেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও লম্বা সময়ের জন্য পরিকল্পনা করা। ইনভেস্টরের কাছ থেকে লম্বা সময়ের ফান্ডিংয়ের নিশ্চয়তা নেওয়া। এসকল ফান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে সরকারও সাহায্য করতে পারে বলে আমি মনে করি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই এখন এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে। যেখানে ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রি তৈরিতে সরকারের বিভিন্ন সাহায্য মিলছে। 
বিডি২৪লাইভ: আগামী ৫-১০ বছর পর দেশের ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির চিত্র কেমন দেখছেন?
সৈয়দ মোস্তাহিদল হক: আমার তো বিশ্বাস, আগামী ৫-১০ বছরের মধ্যে ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির রিটেলেরই সংখ্যা ৭-১০ পারসেন্টে যাবে। তবে এটা দারাজের একার পক্ষে সম্ভব নয়। আরও ভালো ইনভেস্টর লাগবে। কোম্পানি লাগবে। অন্তত তিনটা কোম্পানি যদি এভাবে কাজ করে তাহলে এটা করা সম্ভব হবে।



শাকিল/সাএ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।