Bangal Press
ঢাকাThursday , 23 May 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বিনোদন
  11. ভ্রমণ
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা জগৎ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কয়েলের আগুন দিয়ে গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

Link Copied!

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে মিনা আক্তারকে (২৩) কয়েলের আগুন দিয়ে শরীরের নানা জায়গায় ছ্যাঁকা ও মুখে কসটেপ পেঁচিয়ে তিনদিন আটক রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী ইব্রাহীম মিয়ার(২৮) বিরুদ্ধে বুধবার (২২ মে) রাতে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে গেলে এ ঘটনা জানান ভুক্তভোগীর স্বজনরা।
আহত মিনা আক্তার উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের ভাদুয়া গ্রামের চাঁন মিয়া ফরাজীর মেয়ে। মিনা আক্তার তিনমাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক। ইব্রাহীম পাশ্ববর্তী ধোবাউড়া উপজেলার বহর ভিটা গ্রামের রহমত আলীর ছেলে।
জানা গেছে, নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ভাদুয়া গ্রামের চাঁন মিয়ার মেয়ে মিনা আক্তার একজন মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী ছিল। ভাদুয়া গ্রামের জামে মসজিদে ইমামতি করতেন ইব্রাহীম মিয়া। মসজিদের কাছাকাছি মিনার বাড়ি ছিল। প্রায় সময়ই নানা অযুহাতে বাড়িতে প্রবেশ করতেন তিনি। এক পর্যায়ে মিনার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন ইব্রাহীম।
প্রেমের সম্পর্ক এলাকায় জানাজানি হলে উভয় পক্ষের সম্মতিতে দেড় বছর পূর্বে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে নরসিংদী চলে যান ইব্রাহীম। সেখানে গিয়ে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেন। ভালই চলছিল তাদের সংসার। ৬ মাস না যেতেই মিনার বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা এনে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন ইব্রাহিম।
এ নিয়ে সংসারে প্রায়ই ঝগড়া লেগে থাকত। ইব্রাহীম স্ত্রীকে মারধর করতেন। বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে অপারগতার এক পর্যায়ে গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিতে চাকরি নেন স্ত্রী মিনা আক্তার।
এরই মধ্যে মিনার গর্ভে সন্তান আসায় ওই চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। পারিবারিক কলহের জের ধরে গত শুক্রবার সকালে পাষণ্ড স্বামী মিনার দুই হাত ও পা বেঁধে, মুখে কসটেপ পেঁছিয়ে টানা তিনদিন ঘরে আটকে রেখে মারধর করে। শরীরের বিভিন্ন জায়গা কয়েলের আগুন দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়। পরে সোমবার এক প্রতিবেশীর সহযোগিতায় নরসিংধী থেকে ভাদুয়া বাবার বাড়িতে গুরুতর অবস্থায় পালিয়ে আসেন। পরে গত মঙ্গবার পরিবারের লোকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করে।
দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রের মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিরুল ইসলাম বলেন, মিনা আক্তার নামে একজন চিকিৎসাধীন আছেন। তার শরীরে কয়েলের আগুনের ছ্যাঁকার আঘাত রয়েছে। তার অবস্থা আগের চেয়ে ভাল।
দুর্গাপুর থানার পরিদর্শক মাহফুজ আলম বলেন, গৃহবধূকে নির্যাতনের বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাটি ঘটেছে নরসিংদীতে। ওই মহিলা দুর্গাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে চিকিৎসাধীন আছে। এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।



সালাউদ্দিন/সাএ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।