Bangal Press
ঢাকাSunday , 26 May 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরির খবর
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বিনোদন
  11. ভ্রমণ
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা জগৎ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শোভন এর জনপ্রিয়তার কাছে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন লোকমান

Link Copied!

লব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে লড়াইয়ের দৃশ্যপট। প্রতিদ্বন্দ্বিতার হিসাবও পরিষ্কার হয়ে উঠছে। আলোচিত ৩ প্রার্থীর একজন এরই মধ্যে নিজের ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
চতুর্থ ধাপে আগামী ৫ জুন এই উপজেলায় নির্বাচন। প্রার্থী ৫ জন হলেও জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন (ঘোড়া), জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদৎ হোসেন শোভন (আনারস), জেলা স্বেছাসেবক লীগ সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লোকমান হোসেনের (কাপ-পিরিচ), প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সরগরম হয়ে উঠে এখানের নির্বাচন। প্রতীক বরাদ্দের পর ৩ দিন না পেরুতেই গত বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যান প্রার্থী লোকমান হোসেনের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর খবর ছড়িয়ে পড়ে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় শোভন ও লোকমানের আলিঙ্গনবদ্ধ এবং পায়ে ধরে সালাম করার ছবি। লোকমান হোসেন জানিয়েছেন, শোভন তার দোয়া ও সহযোগিতা চেয়েছেন। এদিকে শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় চেয়ারম্যানপ্রার্থী লোকমান হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
নির্বাচনের শুরুতে জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন ও লোকমান হোসেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থীর এমন আওয়াজের মধ্যে শোভনের প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা চমক সৃষ্টি করে। তোড়জোরে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেন ছাত্রলীগের এই নেতা। উপজেলার কোণা-কামচা পর্যন্ত তার পোস্টার, ব্যানার-ফেস্টুনে সয়লাব হয়ে পড়ে।
তার সঙ্গে প্রচারণাতে পাল্লা দেন অন্য দুই প্রার্থী। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বদলে যেতে থাকে দৃশ্যপট। মাঠে দখল বাড়তে থাকে শোভনের। নির্বাচন ঘিরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সর্বত্র শোভনের পক্ষে সক্রিয় থাকলেও বাকি ২ প্রার্থী তাদের নিজস্ব ইউনিটের সাপোর্ট দেখাতে ব্যর্থ হন। অবশ্য আওয়ামী লীগের এখানে পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই। আগের কমিটির নেতাদের অনেকে সক্রিয় শোভনের পক্ষে। তাছাড়া পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে নেতৃস্থানীয় লোকজন সভা করে সমর্থন দিচ্ছেন শোভনকে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও ‘আনারস’ মার্কার আওয়াজ ছড়িয়ে আছে।
শোভনের সমর্থক ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক শেখ রাসেল বিডি২৪ লাইভকে বলেন -শাহাদৎ হোসেন শোভন এর জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকায় লোকমান সাহেব নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
তিমি আরো বলেন, আগামী ৫ তারিখ শাহাদৎ হোসেন এর বিষয় তারুণ্যের বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ। 
জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু জানান, আওয়ামী লীগের অনেকে শোভনের নির্বাচন করছেন। হেলাল উদ্দিনের পক্ষে দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের কেউ যায়নি। দলের সমর্থিত প্রার্থী না থাকায় আওয়ামী লীগের নেতারা ব্যক্তিগতভাবেই নির্বাচন করছেন।
চেয়ারম্যান পদে অন্য দুই প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী সেলিম রেজা (দোয়াত-কলম) ও আব্দুল কারীম (মোটরসাইকেল)। তাদের মধ্যে সেলিম রেজার কিছু প্রচার-প্রচারণা রয়েছে।
এই বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন শোভন বিডি২৪ লাইভকে বলেন, জনগণের ভালোবাসা পেয়ে আমি সামনের দিক এগোচ্ছি আমার সকল ভোটারদের কাছে একটাই অনুরোধ থাকবে আমাকে আপনাদের সেবা করার জন্য একটি সুযোগ দিন৷
তিনি আরো বলেন,অতীতের যে কোন সময়ের চাইতে আগামী ৫ ই জুন ভোটারদের বিজয়ের পর ইনশাল্লাহ আমি সদর উপজেলা পরিষদ টি ও মডেল পরিষদ হিসেবে গড়ে তুলবো।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিওতে লোকমান সাহেবকে বলেন,পারিবারিক এবং দলের ঐক্যতার কারণে তিনি এ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন । 
নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন- তফাজ্জল সিকদার (উড়োজাহাজ), মোস্তাক আহমেদ খোকন (বই), মো. আজহারুল ইসলাম (তালা), মো. আনিছ খান (টিউবওয়েল), মো. ইলিয়াছ চৌধুরী (আইসক্রিম), রবিউল আলম (চশমা) ও শফিকুল ইসলাম (মাইক)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী উম্মে হানি সেতু (কলস), আফরিন ফাতেমা জুঁই (ফুটবল), নাসিমা আক্তার (প্রজাপতি) ও শামীমা আক্তার (পদ্ম ফুল)।



শাকিল/সাএ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।